বানিয়েছে এমন একজন
যে মিটিং ঘৃণা করত।
Heidi কোনো প্রোডাক্ট হিসেবে শুরু হয়নি। শুরু হয়েছিল কর্মদিনের সবচেয়ে অপচয়ী ঘণ্টাটার প্রতি এক জেদ থেকে — আর 'transcript-ই আমাদের সেরা' এটা মেনে না নেওয়ার জেদ থেকে।
একজন প্রতিষ্ঠাতা যে মিটিংয়েই বাস করত। আর একটা ইগোওয়ালা copilot, যাতে আর একটাও মিটিং নষ্ট না হয়।
Heidi কেন আছে।
মিটিং কাজটাকেই গিলে খাচ্ছিল।
একটার পর একটা কল, অর্ধেকই এড়ানো যেত, সবগুলোই শেষ হওয়ার মুহূর্তেই সিদ্ধান্ত ফাঁস করে দিত। আসল কাজ মিটিংয়ে হতো না — হতো পরের হুড়োহুড়িতে, আসলে কী ঠিক হয়েছিল তা মনে করার চেষ্টায়। এই করটা প্রতি সপ্তাহে জমতে থাকে।
transcript শুধু ক্ষতিটাই লিখে রাখে।
Otter, Fathom, বাকিরা — সব স্টেনোগ্রাফার। তোমার ভুলগুলো নিখুঁতভাবে লিখে রাখে আর ফেরত দেয় যখন ঠিক করার সময় পেরিয়ে গেছে। transcript-এর দেয়াল সাহায্য নয়। এখনো বলতে পারার সময় কী বলবে তা জানা — সেটাই সাহায্য।
তাই বানালাম এমন একটা copilot যেটা কাজ করে।
আরেকটা নোট-টেকার নয়। এমন এক সহকর্মী যে আগে তোমায় প্রস্তুত করে, মাঝে কোচ করে, পরে গুছিয়ে দেয় — ফলো-আপ লেখে, ঠান্ডা হয়ে আসা ডিল চিহ্নিত করে, তুমি ঘুমানোর সময় একঘেয়ে কাজটা সেরে ফেলে। নিয়ন্ত্রণ তোমারই থাকে। সে শুধু মিটিংকে তোমার ওপর জিততে দেয় না।
প্রতিটা মিটিং শেষ হোক সিদ্ধান্তে, সারসংক্ষেপে নয়।
একটা মিটিং যদি কিছু ঠিক করে, তবে তোমার এগিয়ে থেকে বেরোনো উচিত — ব্রিফ করা, স্কোর করা, ফলো-আপ করা, শেষ। Heidi-র পুরো ব্যাপারটাই এই: দিনের সবচেয়ে অপচয়ী ঘণ্টাটাকে সেই ঘণ্টায় বদলে দেওয়া যেখানে তুমি সত্যিই জেতো।
ছোট টিম। প্রতি সপ্তাহে রিলিজ।
কোনো রোডম্যাপের নাটক নেই, এন্টারপ্রাইজ বাড়াবাড়ি নেই। কয়েকটা নীতি, শক্ত করে ধরা।
প্রতি সপ্তাহে রিলিজ।
প্রতি ত্রৈমাসিকে নয়, প্রতি সপ্তাহে নতুন কিছু। changelog সবার জন্য খোলা আর সেটা নড়ে। কিছু বাদ থাকলে, সম্ভবত শিগগিরই আসছে।
ফিচার নয়, ফলাফল।
লম্বা ফিচার তালিকা কেউ চায় না। তারা চায় ডিল ক্লোজ আর ফলো-আপ পাঠানো। Heidi-কে মাপা হয় তোমার জন্য কী বদলায় তা দিয়ে, বাক্সে কী লেখা তা দিয়ে নয়।
তোমার ডেটা তোমারই।
তোমার মিটিং, তোমার IP। ট্রেনিংয়ের খোরাক নয়। এক ক্লিকে এক্সপোর্ট বা ডিলিট — EU-first বানানো, কোনটা সত্যি আর কোনটা নয় তা নিয়ে সৎ।
সত্যিকারের একজন মানুষ উত্তর দেয়।
ছোট টিম, কোনো সাপোর্ট গোলকধাঁধা নেই। প্রতিটা মেসেজ পড়ে এমন একজন, যে সত্যিই কিছু করতে পারে।
মিটিং তোমায় নষ্ট করছে, দেখতে দেখতে ক্লান্ত? আমায় নিয়োগ দাও।
১৪ দিনের পূর্ণ ট্রায়াল। কার্ড লাগবে না। transcript তো শুধু আমার ওয়ার্ম-আপ।
বড় ছবিটা দেখতে চাও — লড়াই, আন্দোলন, পুরো 'কেন'টা?
ইশতেহার পড়ো